প্রাচীন বাংলার জনপদসমূহ PDF সহ

Share:
বিজ্ঞাপন Click Here
[ Click here to Download ]


প্রাচীন বাংলার জনপদসমূহ


☞ প্রাচীনকালে বাংলার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলগুলোর নাম দেওয়া হয়েছিল – জনপদ।

☞ বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম – পুণ্ড্র।

☞ বাংলার প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র – মহাস্থানগড়।

☞ প্রাচীন পুণ্ড্রনগর অবস্থিত – মহাস্থানগড়।

☞ মহাস্থানগড় একসময় বাংলার রাজধানী ছিল, তখন তার নাম ছিল – পুণ্ড্রনগর।

☞ বাংলাদেশে প্রাচীন লিপি পাওয়া যায় – পুন্ড্র জনপদে পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি থেকে।

☞ বরেন্দ্র বলতে বোঝায় – উত্তরবঙ্গকে।


☞ হিউয়েন সাঙের বিবরণ অনুসারে কামরূপ ছিল – সমতট জনপদ।

☞ রাঢ় জনপদের লোকের প্রকৃতি – অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও রূঢ়।

☞ ‘গঙ্গারিডই’ নামক প্রাচীন শক্তিশালী রাজ্যটি অবস্থিত – গঙ্গা নদীর তীরে।

☞ গৌড়ের রাজধানী – কর্ণসুবর্ণ।

☞ বর্তমান বৃহত্তম ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে যে জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল – বঙ্গ।

☞ প্রাচীনকালে এদেশের নাম ছিল – বঙ্গ।

☞ বর্তমান বৃহৎ বরিশাল ও ফরিদপুর এলাকা প্রাচীনকালে যে জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল – বঙ্গ।

☞ রাজশাহীর উত্তরাংশ, বগুড়ার পশ্চিমাংশ, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত – বরেন্দ্রভূমি।

☞ প্রাচীন গৌড় নগরীর যে অংশবিশেষ বাংলাদেশের যে জেলায় অবস্থিত – চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

☞ গৌড়ের স্বাধীন নরপতি শশাঙ্কের রাজধানী ছিল – কর্ণসুবর্ণ।

☞ মহাস্থানগড় যে বংশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন – মৌর্য।

☞ প্রাচীন বাংলার যে এলাকা কর্ণসুবর্ণ নামে কথিত হতো – মুর্শিদাবাদ।

☞ বর্তমান বাংলাদেশের যে অংশকে সমতট বলা হতো – কুমিল্লা ও নোয়াখালী।



☞ বাংলাদেশের একটি প্রাচীন জনপদ হলো – হরিকেল।

☞ যে শতকে বঙ্গ ও গৌড় নামে দুইটি স্বাধীন জনপদের উদ্ভব হয় – ষষ্ঠ।

☞ প্রাচীন বাংলায় যে অঞ্চল বাংলার পূর্বাংশে অবস্থিত ছিল – হরিকেল।

☞ চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাচীন নাম – হরিকেল।

☞ সিলেট প্রাচীন যে জনপদের অন্তর্ভুক্ত – হরিকেল।

☞ প্রাচীন বাংলার হরিকেল জনপদ অন্তর্ভুক্ত এলাকা – চট্টগ্রাম।

☞ প্রাচীন রাঢ় জনপদ অবস্থিত – বর্ধমান।

☞ সমগোত্রীয় শহর – শ্রীহট্ট, বিক্রমপুর, জাহাঙ্গীরনগর।


Download link
বিজ্ঞাপন Click Here
🔥 Download Here...