প্রশ্নঃ শুদ্ধ উচ্চারণের প্রয়ােজনীয়তা আলােচনা কর

Share:
বিজ্ঞাপন Click Here
[ Click here to Download ]


প্রশ্ন। ১ ॥ শুদ্ধ উচ্চারণের প্রয়ােজনীয়তা আলােচনা কর। (য. বাে. ১৬)

উত্তর: মানুষের মনের ভাব প্রকাশের সর্বোৎকৃষ্ট বাহন হচ্ছে ভাষা। আর ভাষার মূল উপাদান হচ্ছে ধ্বনি। এই ধ্বনিকে স্পর্শ করা বা চোখে দেখা যায় না। ধ্বনি একটি বাচনিক প্রক্রিয়া এবং শ্রবণের মাধ্যমেই আমরা এর অর্থ অনুধাবনে সমর্থ হই। তাহলে দেখা যাচ্ছে উচ্চারণের তারতম্যের কারণে ধ্বনির অর্থের তারতম্য ঘটে। অর্থাৎ শব্দের তীব্রতা বা গভীরতা, লয়ের দ্রুততা বা মন্থরতা এবং
স্বরসতরের নিম্নতা বা উচ্চতার কারণে কখনাে আনন্দ-উল্লাস, আবার কখনাে বিস্ময়-বিষাদ প্রকাশিত হয়। মানবমনের এই অবস্থাকে লিখিত ভাষায় বােঝানা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তাই ভাষার উচ্চারণের দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। নির্ভুল ও শুদ্ধ উচ্চারণ সঠিক মনােভাব প্রকাশে সহায়ক। কোনো কাজ শুদ্ধরপে উচ্চারিত হলে সেই শব্দের অর্থ-বিভ্রান্তি ও বিকৃতি ঘটার সম্ভাবনা থাকে না। বর্তমানে সংগীত, নাট্যকলা, আবৃত্তির মতাে উপস্থাপনা শিল্প (performing art) বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ হচ্ছে। এর ফলে ভাষার উচ্চারণের দিকটি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

বিজ্ঞাপন Click Here
🔥 Download Here...